মৃতের পরিবারের অভিযোগ, নারায়ণের সঙ্গে স্ত্রীর পবিত্রার দীর্ঘক্ষণ ধরেই বনিবনা হতো না। নারায়ণ কর্মসূত্রে বাইরে থাকায় এক যুবকের সঙ্গে ওই মহিলা পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন ।
অভিযোগ, কয়েকদিন আগেই ফিরেছেন নারায়ণ। বোন অসুস্থ থাকায় বোনকে নিয়ে হাসপাতালে যায় নারায়ন। বাড়ি ফাঁকা পেয়ে প্রেমিককে বাড়িতে ডেকে নিয়েছিল পবিত্রা। রাত আটটা নাগাদ বাড়ি ফিরে এসে স্ত্রীকে আপত্তিকর অবস্থায় পাড়ার এক যুবকের সঙ্গে দেখে ফেলেন নারায়ণ। প্রতিবাদ করলে স্বামীর উপর চড়াও হয় পবিত্রা। বাড়িতে থাকা সেলাইয়ের কৌটো থেকে সুচ বের করে স্বামীর চোখে ঢুকিয়ে দেয়। তারপরে গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলিয়ে দেয়।
বৃহস্পতিবার সকালে নারায়ণকে দেখতে না পেয়ে প্রতিবেশীদের সন্দেহ হওয়ায় তাঁরা সরাসরি বাড়ির ভেতরে ঢুকে নারায়ণের খোঁজ নেয়। তখনই একটি ঘরে নারায়ণের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পায়। এই দৃশ্য দেখেই পবিত্রাকে একটি ঘরে আটকে রাখেন পাড়া-প্রতিবেশীরা। পরে
চাঁচল থানার পুলিশকে খবর দেওয়া হলে তাঁরা এসে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। নারায়ণের স্ত্রী ও তার প্রেমিকের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ দায়ের করেছে মৃত যুবকের পরিবার। ইতিমধ্যে অভিযুক্ত স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তার প্রেমিকের খোঁজে এলাকায় তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।

