গ্রামবাসীদের তরফে অভিযোগ পাওয়ার পর নড়েচড়ে বসে বাঁকুড়া জেলা পরিষদ। মঙ্গলবার বাঁকুড়ার জেলা পরিষদের সভাধিপতি অনুসুয়া রায় ঘটনাস্থলে গিয়ে সরেজমিনে রাস্তার কাজ খতিয়ে দেখে কার্যত স্বীকার করে নেন রাস্তাটি তৈরীর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়েছে অতি নিম্নমানের সামগ্রী। আপাতত ওই রাস্তা নির্মাণের কাজ বন্ধ করে রাখার নির্দেশ দেওয়া দেন তিনি । আর এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। বাঁকুড়া সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সহ সভাপতি দেবাশীষ দত্তের দাবি প্রতিটি সরকারী প্রকল্প শুরুর আগেই প্রকল্পের ৭০ শতাংশ টাকা কাটমানি হিসাবে তুলে দিতে হচ্ছে তৃনমূল নেতাদের। তার জেরেই ঘটছে এমন ঘটনা। অন্যদিকে বিজেপির তোলা সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে তৃনমূল কংগ্রেস। রামচন্দ্রপুর অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সুভাষ মিশ্র বলেন, জেলা পরিষদের সভাধিপতি রাস্তা পরিদর্শন করে গেছেন। রাস্তা যাতে ভালো ভাবে হয় তার জন্য কাজ বন্ধ করা হয়েছে। বিরোধীরা মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে, তৃণমূল কখনো অন্যায় কাজ করে না। তৃণমূল মানুষের সাথে, মানুষের পাশে থেকে কাজ করে ।
হাতদিয়ে টানলেই উঠে আসছে পিচ! মেজিয়ায় পথশ্রী-র রাস্তা ঘিরে স্থানীয়দের ক্ষোভ
ডিসেম্বর ২৭, ২০২৩
0
স্কাই বাংলা, বাঁকুড়া: পথশ্রী প্রকল্প নিয়ে ফের বড়সড় বেনিয়মের অভিযোগ উঠে এল বাঁকুড়ার মেজিয়ায়। পথশ্রী প্রকল্পের রাস্তার কাজ সম্পূর্ণ হওয়ার আগেই নখের আঁচড়ে উঠে আসছে রাস্তায় ব্যাবহৃত পিচের চাঙড়। অভিযোগ পাওয়ার পর সরেজমিনে গিয়ে নিম্ন মানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ মানলেন খোদ জেলা পরিষদের সভাধিপতিও। ঘটনা বাঁকুড়ার মেজিয়া ব্লকের। ইতিমধ্যেই এই ঘটনা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। প্রকল্পের ৭০ শতাংশ টাকা তৃনমূল নেতারা আত্মসাৎ করায় এমন ঘটনা ঘটছে দাবী বিজেপির। যদিও অভিযোগ মানতে নারাজ তৃনমূল। বাঁকুড়ার মেজিয়া ব্লকের অনুরাগপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে মোচড়াকেন্দ্র বাসুদেব ক্লাব পর্যন্ত কাঁচা রাস্তা দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে ছিল। মাত্র ১ কিলোমিটার ওই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে ঘাম ছুটত এলাকার মানুষের। বর্ষায় হাঁটু সমান কাদা আর অন্য সময়ে ধুলোর পুরু আস্তরণে ঢাকা থাকত রাস্তাটি। গ্রামবাসীদের দীর্ঘদিনের দাবী ছিল পাকা করা হোক রাস্তাটি। সেই দাবী মেনে মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নের পথশ্রী প্রকল্পে রাস্তাটি পাকা করার উদ্যোগ নেয় বাঁকুড়া জেলা পরিষদ। মাস ছয়েক আগে কাজও শুরু হয়। অত্যন্ত ঢিমেতালে চলা সেই রাস্তায় সম্প্রতি পড়েছে পিচের আস্তরণ। আর তা দেখেই রীতিমত ক্ষোভে ফুঁসছেন এলাকার মানুষ। এলাকার মানুষের দাবী রাস্তা নির্মাণের কাজ সম্পূর্ণ হওয়ার আগেই হাতের আঙুলের চাপে উঠে আসছে পিচের চাদর। রাস্তা দিয়ে চলাচল করলেও পায়ের চাপে ফেটে যাচ্ছে পিচ। এই অবস্থায় রাস্তা একমাসও টিকবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে ক্ষোভে- ফেটে পড়েন এলাকাবাসী।
Tags
অন্যান্য অ্যাপে শেয়ার করুন




