'ধর্মের ষাঁড়' ভোলাকে বাঁচাতে প্রাণপণে মরিয়া সোনামুখীবাসী

Malay Singha
0

স্কাই বাংলা : ভোলা সারাদিনব্যাপী আপনমনে ঘুরে বেড়ায় সোনামুখী পৌর শহরের এদিক থেকে ওদিক। যে যা দেয় খুশিমনে খেয়ে সবাইকে যেন হাসিমুখে 'ভালো থেকো' এই বার্তা যেন দিয়ে যায়। আজ ভোলা মৃত্যু শয্যায়,তবুও যেন সে বাঁচতে চায়, সে আবারও খোলা আকাশের নিচে ঘুরে বেড়াতে চায়। তবে এ 'ভোলা' কোন মানুষ নয়, এ হলো একটি ষাঁড় যাকে সোনামুখীর সকল বাসিন্দারা 'ধর্মের ষাঁড় আখ্যা দিয়েছেন। সোনামুখী পৌরশহরে ১৩ নম্বর ওয়ার্ড অমর নগর এলাকা ভোলার অবাধ বিচরণ ক্ষেত্র। 
হিন্দুধর্ম অনুযায়ী ষাঁড় হলো ভগবান শিবের বাহন। সবকিছু শুভ উপাখ্যানের সূচনা হয় দেবাদিদেব মহাদেবের বাহনকে কেন্দ্র করে। তাই ভোলা নামে এই ষাঁড় টিকে সোনামুখীবাসী শুভ বলেই মনে করেন, তাই শ্রদ্ধার সাথে ভালোবাসা তার প্রতি সকলের অপরিসীম।কিন্তু কিছুদিন আগে বাঁকুড়া বর্ধমান রাজ্য সড়কে একটা পথ দুর্ঘটনার জেরে ভোলার কোমর ভেঙে পড়ে সে এখন হাঁটতে চলতে পুরোপুরি অক্ষম হয়ে পড়েছে। তাই তাকে বাঁচাতে উদ্যোগী হয়েছে আপামর জনগণ।রোজ তার চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন এক হাজার টাকা কিন্তু তা মিলবে কোথায়?? তাই এলাকার বাসিন্দারা সবার কাছে সাধ্য মতন সাহায্যের আর্জি জানাচ্ছেন,বাসিন্দাদের তরফ থেকে 'দিদিকে বলো' তেও ফোন করা হয়েছে বলেই তারা জানাচ্ছেন। ইতিমধ্যেই অন্যত্র নিয়ে গিয়ে ভোলাকে উন্নতমানের চিকিৎসা পরিষেবার ব্যবস্থা করছেন অমর নগর এলাকার বাসিন্দারা।
সবে মিলে সুস্থ হয়ে যাক দেবাদিদেব মহাদেবের বাহন। আবারো সোনামুখী বাসীর 'ধর্মের ষাঁড়' হয়ে খোলা আকাশের মুক্ত হয়ে বিচরণ করুক সে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন (0)
To Top